Alparslan

আল্প আরসালান ভলিউম ২৪ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

আল্প আরসালান ভলিউম ২৪ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

ভলিউম দেখতে পোস্টের নিচে যান

বছরের প্রথম দিকে সুলতান আবদুল হামিদ মৃত্যুবরণ করলে অভিষেক হয় তার ভ্রাতুম্পুত্র সুলতান তৃতীয় সেলিম। সেলিম ছিলেন তরুণ, প্রাণশক্তিতে ভরপুর ও দূরদর্শী। নিজের দেশের রক্ষা ও পুনঃসংস্কারে আত্মনিয়োগ করেছিলেন তিনি। এক আজ্ঞা বলে ষোলো থেকে ষাট বছরের মধ্যবর্তী সকল মুসলিম যুবা-পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেন সেলিম । এরপর হাসানকে একই সাথে প্রধান উজির ও কৃষ্ণসাগরে নিজের যুদ্ধজাহাজ বহরের প্রধান কমান্ডার নিযুক্ত করেন। স্থলের চেয়ে জলের ব্যাপারে অভিজ্ঞ হাসান মলদোভিয়ার সীমান্তে কোবার্গকে পরাজিত করার মতো সৈন্য একত্রিত করে। কিন্ত হাসান সোভোরো-র সাথে প্রতিদ্বন্ৰিতা করার মতো শক্তিশালী ছিল না।

সোভোরো মাত্র একদিনের ব্যবধানে বন্য পার্বত্যাঞ্চল পার হয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনী নিয়ে নাটকীয়ভাবে অস্ট্রীয়দের রক্ষায় আবির্ভূত হয়! নিজের বাহিনীকে শুধু একটাই বাক্য বলছিল বারবার, “আগে বাড়ো এবং আঘাত করো!” নিজে নেতৃত্ব দিয়ে বিলম্ব না করে সাহসের সাথে হাসান’কে রুখে দেয় সোভোরো। ফলে প্রভাতের ঘণ্টা দুয়েক পূর্বেই অটোমান ক্যাম্পে প্রচণ্ড আক্রমণ করে অস্ত্র, গোলাবারুদ, কামান দখল করে ভয়ংকর বেয়নেটের ব্যবহার করে দমন করে তুর্কি বাহিনীর ৷ বন্দুকের ওপর ভরসা ছিল তার। যুদ্ধক্ষেত্রে তার বাণীই ছিল “বেয়নেটকে জোরো ধাক্কা দাও বল পথ হারিয়ে ফেলবে__বেয়নেট কখনো নয়। বল বোকা, বেয়নেট কখনো নয় |”

See also  অনুবাদ মিডিয়া আল্প আরসালান ভলিউম ২৩ বাংলা সাবটাইটেল

একই ভাবে সোভোরোর হাতে আরেকটি বৃহৎ অটোমান বাহিনীর পরাজয়ে ইস্তাম্বুলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর সমাধান খুঁজতে গিয়ে যোদ্ধা হাসানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন সুলতান। ইতিমধ্যে লুডন বেলগ্রেড শহর এবং সেমেন্ড্রয়া দুর্গ দখল করে নেয়। কিন্তু ১৭৯০ সালে সম্রাট জোসেফের মৃত্যুর পর পরবর্তী সম্রাট লিওপোল্ড এ জায়গা ছেড়ে চলে যায়। কেননা রাশিয়ার সাথে তৃর্কিদের বিরুদ্ধে মৈত্রী জোট নিজের সাম্রাজ্যের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না বলে মনে করত লিওপোল্ড।

১৭৯০ সালে আত্মরক্ষার খাতিরে উপকূলীয় অঞ্চল বেসাবারিয়া ও বুলগেরিয়া থেকে তুর্কিদের হটানোর প্রস্তুতি নেয় রাশিয়া। এই উদ্দেশ্য অর্জনের পথে বাধা ছিল দানিয়ুবের খাঁড়িতে প্রবেশমুখের দুর্গ__ইসমাইল। সোভোরো পুরো শীতকালব্যাপী অবরোধের ঝুঁকি না নিয়ে নিজের বাহিনীকে উদ্যম জোগাতে বলে ওঠে “আমার ভাইয়েরা কোয়ার্টারের চিন্তা করো না; খাদ্য মজুদ সীমিত।” রাতের দিকে শুরু হয় আক্রমণ । কিন্তু রাশিয়া বাহিনীর পিঠ ঠেকে যায় দেয়ালে । হতাশায় পর্যুদস্ত হয়ে তুর্কি বাহিনী ও সাধারণ মানুষ একত্রে রাস্তায় নেমে আসে রাশিয়া বাহিনীর প্রতিরোধ করতে ।

See also  আল্প আরসালান ভলিউম ২৭ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

অবশেষে মধ্যাহ্নে এসে তুর্কি এবং দুর্গের তাতার বাহিনী বাজারে এসে জড়ো হয় ও দুইঘণ্টাব্যাপী যুদ্ধের শেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় সকলে। এরপর ধ্বংস:হয়ে যাওয়া শহরে তিন দিনব্যাপী লুষ্ঠন ও হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে রাশিয়া।অটোমান সাম্রাজ্যের পরাজয় ঠেকানোর আর কোনো উপায় থাকে না। আরো একবার সময় আসে মধ্যস্থতা করার আর এবার ইউরোপে শক্তির ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড সমর্থন করত রাশিয়াকে । কিন্তু ফ্রান্সে বিপ্লবের সূচনা হওয়ার পর ইউরোপে ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তন হয় এবং রাশিয়া হয়ে ওঠে হুমকিস্বরূপ।

ফলে ইংল্যান্ড, প্রুশিয়া ও হল্যান্দের মাঝে অটোমান সাম্রাজ্য রক্ষাকল্পে মৈত্রী জোট গড়ে ওঠে ১৭৯০ সালে। অস্ট্রিয়া ও অটোমান সাম্রাজ্যের মাঝে স্বাক্ষরিত হয় সিসটোভা চুক্তি। রাশিয়া ও অটোমানদের মাঝে চুক্তির প্রস্তাবে সম্রাজ্ঞী ক্যাথেরিন অসন্তুষ্ট হয়ে ওঠে ।প্রশিয়ার রাজার উদ্দেশ্যে ক্যাথেরিন জানিয়ে দেয় “সম্রাজ্ঞী যুদ্ধ এবং শাস্তি উভয়েই নিজের মর্জিমতো
আনয়ন করে।

” অচাকভ ও দিনিস্টোর ও বাগের মধ্যবর্তী অঞ্চলসমূহ দাবি করে ক্যাথেরিন। কিন্তু ইংল্যান্ড ও প্রশিয়া খাঁড়ির নিরাপদ আশ্রয় থেকে রাশিয়া সরাসরি কনস্টান্টিনোপল আক্রমণ করতে পারবে এই শঙ্কায় তুর্কিদের এ অঞ্চল ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে রাশিয়াকে । ইতিমধ্যে এ মধ্যস্থৃতাকে শক্তিশালী করার জন্য অন্ত্রের মহড়া বসায় তারা । ইংল্যান্ড বাল্টিকে পয়ত্রিশটি জাহাজের সমন্বয়ে একটি রণপোতবহর ও আরেকটি ছোট বহর কৃষ্ণসাগরে পাঠিয়ে দেয়।

See also  আনুবাদ মিডিয়া আল্প আরসালান ভলিউম ২০ বাংলা সাবটাইটেল-

প্রুশিয়া লিভোনিয়াতে সৈন্য সমাবেশ করে কিন্তু কোনো পক্ষই ভৌগোলিক বিজয় নয়; বরঞ্চ পোর্তের নিরাপত্তার খাতিরেই চিন্তিত হয়ে ওঠে । এ উদ্দেশ্যে সংসদের কাছ থেকে সাহায্যের আশায় ইংল্যান্ড রাজপিট মন্তব্য করে যে অটোমান সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা বিঘিত হলে প্রুশিয়াসহ সারা ইউরোপ হুমকির মুখে পড়বে । কিন্ত হাউস অব কমনসে ফক্স এবং বার্ক বিরোধিতা করে । ফক্সের মতে, রাশিয়া, ইংল্যান্ডের সত্যিকার মিত্র। অন্যদিকে বার্কের মতে, “তূর্কিরা প্রকৃতই এশিয়ার
অধিবাসী, যারা ইউরোপীয় বিষয় থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন রেখেছে।” এবং শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় তুর্কিদের কোনো ভূমিকা নেই।

আল্প আরসালান ভলিউম ২৪ বাংলা সাবটাইটেল

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button