Kurulus Osman

কুরুলুস উসমান ভলিউম ৯৪ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

কুরুলুস উসমান ভলিউম ৯৪ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

উদ্দেশ্য পূরণের পর সুলতান খিস্টান রায়াদের অস্ত্র পরিত্যাগ করে নিজ নিজ খামার ও পশুপালনে ফিরে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্ত বিজয়ের ফলে সাববীয়দের মাঝে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত হয়ে ওঠে, যা সহজে দমিত হয় না। প্রায় বিশ বছর পূর্বে অস্দ্রীয় সম্রাটের অধীনে সামরিক প্রশিক্ষণ ও অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে সাবীয়ার মাঝে এক ধরনের যুদ্ধ মনোভাব গড়ে উঠেছিল । যা দেখে বিস্মিত হয়ে তুর্কি কমিশনার এক অস্ড্রীয় কমিশনারকে প্রশ্ন করেছিল “তোমরা আমাদের রায়াদেরকে কী বানিয়ে দিয়েছো?”

এরপর সাথে সাথে সাবীয় সেনাবাহিনী বাতিল করা হয়।সুলতানের নিজস্ব স্বার্থে তারা ব্যবহৃত হয়েছে বুঝতে পেরে এখন
সাবীয়রা স্থায়ত্তশীসন দাবি করে বসে । নিজেদের নির্বাচিত প্রধান “কারা জর্জ” অথবা কালো জর্জের, ঘে কিনা জানিসারিসদের বিরুদ্ধে গেরিলা প্রশিক্ষণ দিয়েছিল সাবীয়দের, উৎসাহে রাশিয়ার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। জার, পোর্তের কাছে তাদের দাবি উ্থাপনের পরামর্শ দেয়। ফলে এভাবে সাবীয়রা সুলতানের কাছে দূত পাঠিয়ে কর মওকুফ ও বেলগ্রেড এবং এর আশপাশের দুর্গ ত্যাগের দাবি জানায় ।

See also  কুরুলুস উসমান ভলিউম ৯৩ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

কিন্তু এতে দিওয়ানের মুসলিমরা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ও সুলতানও প্রত্যাখ্যান করেন। এছাড়াও সাবীয় প্রতিনিধিকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দান করেন। এরপর তিনটি সেনাবাহিনী প্রেরণ করে প্রাক্তন সাবীয় মিত্রদের প্রশমিত করার চেষ্টা করেন সুলতান। কিন্তু অবিসংবাদী কারা জর্জের কল্যাণে এসব বাহিনীর সকলেই পরাজিত হয়। এমনকি অবশেষে বেলগ্রেড ও অন্যান্য দুর্গ থেকে তুর্কিদের বিতাড়িত করতেও সক্ষম হয় কারা জর্জ।

আর এভাবেই অটোমান শাসনের হাত থেকে সাবীয়দের জন্য জাদুকরী স্বাধীনতা এনে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় ঠাই করে নেয় কারা জর্জ। জাতীয়তাবাদী চেতনা উন্যোষের প্রভাতলগ্নে প্রথম বলকান খ্রিস্টান সম্প্রদায় গড়ে ওঠে। ইস্তাম্বুলের জন্য এ সময়টা ছিল কুটনীতির দিক দিয়ে গুরুতৃপূর্ণ। ১৮০৫ সালে রাশিয়া ও ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তুর্কি সমর্থনের জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করে। এদিকে নেপোলিয়ন স্বাক্ষরের পরেও পূর্ব থেকে নিজের দৃষ্টি সরাননি। ফ্রাঙ্কোইস সেবাসটিয়ানির অধীনে লেভান্তে মিশন পাঠায় নেপোলিয়ন।

একদা যাজক হিসেবে কাজ করা সেবাসটিয়ানি পরবর্তীতে সৈনিক ও কূটনীতিক হিসেবে প্রশংসা পায়। প্রত্যক্ষভাবে
ফরাসিদের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা তার উদ্দেশ্য হলেও পরোক্ষভাবে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ফরাসি অভিযানে মনস্থির করেন নেপোলিয়ন। নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে নিজেকে ঘোষণার পর সেবাসটিয়ানি পোর্তে-তে কূটনীতিক হয়ে আসে। এখানে তুর্কি বাহিনীকে রাশিয়াতে আক্রমণের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে । অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ফ্রান্সের বিজয়ে
এ দাবি আরো জোরালো হয়।

See also  অনুবাদ মিডিয়া কুরুলুস উসমান ভলিউম ৮৯ বাংলা সাবটাইটেল

১৮০৫ সালে এর মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়া ও ডালমাটিয়া অর্জনের মাধ্যমে অটোমান সাম্রাজ্যের সরাসরি সংস্পর্শে চলে আসে ফ্রান্স ভূখণ্ড। এর মাধ্যমে সীমান্তে নেপোলিয়ন  বাহিনী গড়ে তোলে। যা প্রয়োজন অনুসারে তুর্কিদেরকে আক্রমণ বা সমর্থন
উভয়ই করতে পারবে।

ফরাসি বাহিনী এহেন বিজয়ে উল্লসিত হয়ে পাঠিয়ে নিজের শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও মিত্রতার প্রদর্শন করেন সুলতান সেলিম। এর উত্তরে নেপোলিয়ন নিজের কূটনীতিকের মাধ্যমে উত্তরে জানান “অটোমানদের সাথে যাই হোক, ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য, তা ফ্রান্সের জন্যও ভাগ্য বা দুর্ভাগ্যই হবে।” কিন্ত সম্রাট হিসেবে নেপোলিয়নকে সুলতানের স্বীকৃতিদানের প্রচণ্ড বিরোধিতা করে বসে ব্রিটিশ এবং রাশিয়ার কুটনীতিকদয়।

কুরুলুস উসমান ভলিউম ৯৪ বাংলা সাবটাইটেল 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button