Destan

দেস্তান ভলিউম ২৬ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

ভলিউম দেখতে পোষ্টের নিচে যান

১৮১১ সালে নেপোলিয়নের সাথে মৈত্রী জোট ভেঙে গেলে, পশ্চিমে ফ্রান্সের আক্রমণ প্রত্যাশা করে রাশিয়া । এ আক্রমণ প্রতিহত করতে দানিয়ুব সীমান্তে প্রতিরক্ষা বৃহ্য গড়ে তোলে জার। এ সময়ে পোর্তের সাথে শাস্তি প্রয়োজন হয়ে পড়ে রাশিয়ার । তাই ১৮১২ সালের খ্রীম্মে, নেপোলিয়ন অগ্রসর হওয়ার মাত্র কয়েক সম্তীহ পূর্বে বুখারেস্টে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে প্রতকে রাশিয়া ও অটোমান সাম্রাজ্যের সীমানা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। মলদোভিয়া ও ওয়ালাসিয়া সুলতানকে ফিরিয়ে দিলেও দানিয়ুবে প্রবেশের জন্য বেসাবারিয়া রেখে দেয়।

বিলম্বে হলেও নেপোলিয়ন পুনরায় পোর্তের বন্ধুত্ব কামনা করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সর্বশক্তি নিয়ে অগ্রসর হওয়ার আর্জি জানান সুলতানের কাছে। এর বিনিময়ে মলদোভিয়া, ওয়ালাসিয়ার নিরাপত্তাসহ ক্রিমিয়া ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও বিটেনের চাপে পড়ে রাশিয়ার সাথে শান্তি আনতে মনস্থির করে। এছাড়া নেপোলিয়নে পূর্বপরিকল্পনা যার লক্ষ্য ছিল অটোমান সাম্রাজ্যকে খণ্ড-বিখণ্ড করা, টের পেয়ে বিশ্বাস হারায় সুলতান ।

বালক সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ (১৮০৮-৩৯)

See also  দেস্তান ভলিউম ২২ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

বুখারেস্ট চুক্তিতে ক্ষতির সম্মুখীন হয় সাবীয়া। তাদের বিদ্বোহের রাজনৈতিক অপরাধীদের ক্ষমা বা মুক্তি প্রদান করা হয়। তবে বেলগ্রেড ও
অন্যান্য দুর্গ সুলতানকে ফিরিয়ে দেয়া হয় ও সা্বীয়দের তৈরি দুর্গ ভেঙে ফেলা হয়। এর পরই নেপোলিয়নের পতনের পর তুর্কিরা আবারো সাবীয়াকে প্রজা রাষ্ট্রে পরিণত করে।

নেপোলিয়ন এবং আলেকজান্ডার যে সাম্রাজ্যকে ভেঙে টুকরো করতে চেয়েছিল, তা তাদের নিজেদের চেয়েও শতায়ু হয়। কিন্তু মাহমুদের সময়
থেকেই এর অঙগচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু হয় । প্রথম হিসেবে আসে গ্রিসের নাম। উনবিংশ শতকের শুরু থেকে গ্রিসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয়। প্রথম দিকে সাংস্কৃতিক গণজাগরণ থাকলেও ফরাসি বিপ্রবের লিবারেল দার্শনিকদের কাছ থেকে ধ্যান-ধারণা এসে পৌছায় শ্রিসে এছাড়াও সুলতান তৃতীয় সেলিমের আমলে গ্বিকদের মাঝে তুর্কিদের মতোই আলোকিত জ্ঞানের হাওয়া এসে লাগে। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি, ধনী-প্রিকদের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রিক ইতিহাসচর্চা ও বিদেশে গ্রিক ভাষায় পুস্তক প্রকাশের মাধ্যমে এ চর্চা এগিয়ে চলে।

এর মাঝেই লুকায়িত ছিল গ্রিক স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবাদের স্পৃহা । পশ্চিমের গ্রিকরা পোর্তের বিভিন্ন দায়িতে নিয়োজিত গ্রিক, ইস্তাম্বুলে গ্রিক
বণিকগোষ্ঠী সকলেই এই ধারাকে আরো এগিয়ে নেয়। সালোনিকা, স্মর্নাসহ গ্রিক দ্বীপপুঞ্জের অনেক দ্বীপ বিশেষত কিয়স্্‌ কার্যত নিজেদের দ্বারাই শাসিত হতো। এছাড়া তিনটি নটিক্যাল দ্বীপ হিদরা, স্পেটসাই ও সারার নাবিকদের জাহাজ ও মালামালের অংশীদারতু ভোগ করত। এছাড়াও এ দ্বীপসমূহ ছিল ভবিষ্যৎ থ্রিক রণতরীর সূতিকাগার । এভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক গ্রিক পশ্চিমের সাথে প্রত্যক্ষ ও নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে সমর্থ হয়।

See also  দেস্তান ভলিউম ২৭ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

গ্রীসের মূল ভূখণ্ডে অটোমান প্রশাসন জনগণকে দমন-নিপীড়নমূলক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ধারণ করত। নিরাপত্তা বা সমৃদ্ধির দিকে দৃষ্টি না দিয়ে কর
সংগ্রহে ব্যস্ত থাকত তারা । অনেক সময় দুর্নীতিপরায়ণ পাশা অবিচার চাপিয়ে দিত। এছাড়াও সম্পত্তির মালিকানা টিকিয়ে রাখার জন্য ধর্মীস্তরিত হওয়া গ্রিক জমিদাররাও গ্রাম ও শহরের প্রধানেরা তুর্কি প্রশাসনের হয়ে কর সংগ্রহ করত ও অটোমান প্রভুদের পদ্ধতি অনুসরণ করত। এর ফলে নিজেদের খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে দমন-নিপীড়ন করত তারা ।

এছাড়াও গ্রিক যাজক সম্প্রদায় ছিল দুর্নীতিপরায়ণ। তাই আইনজ্ঞ, জমিদার এবং স্থানীয় অফিসার সকলে নিজ নিজ শ্বার্থে কোনোরূপ জাতীয়তাবাদী চেতনা বা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিরুদ্ধে ছিল। আর তাই গ্রিক ভাষা ও ধর্ম ব্যতীত জাতির পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেতে বিলম্ব ঘটতে থাকে ।

সময়ের প্রবহমানতায় যখন এমনটা ঘটে, প্রিক জনগণ তখন দুইভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথমে ছিল ক্লিফেটস্‌, তুর্কি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পার্বত্যঞ্চলে ঘুরে বেড়ানো, ডাকাতি ও রাহাজানি করা বন্য ও আইনের উরে থাকা গোষ্ঠী । অটোমান স্বায়ত্তশাসনের বিরুদ্ধে অন্ত্রধারণ করেছিল তারা । গ্রিক জাতীয়তাবাদী কারণের জন্য দ্রেশপ্রেম গড়ে ওঠে এদের মদদ দেয়া বিদ্বোহে। ক্রিট এবং অন্যান্য দ্বীপপুঞ্জের পাশে মোরিয়া, ইফিরাস ও রুমেলির পার্বত্যাঞ্চলে বিভক্ত ছিল এদের কার্যক্রম । এসব প্রধানেরাই পরবর্তীতে বিপ্রবের রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হয়। এদের বিরুদ্ধে একটি খ্রিস্টান সম্প্রদায় আমার্তোলিকে অস্ত্র সরবরাহ করত তূর্কিরা । কিন্তু প্রায়ই এরা তাদের পক্ষ নিত।

See also  অনুবাদ মিডিয়া দেস্তান ভলিউম ২৪ বাংলা সাবটাইটেল

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button