Real History

ফাতেহ আল আনদালুস ভলিউম ৬ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

ভলিউম দেখতে পোষ্টের নিচে যান

কিন্তু গুণগত ভাবে এরা অধঃপাতে নেমে গিয়ে পার্থিব স্বার্থরক্ষায় ক্ষমতার অপব্যবহারে মেতে ওঠে। ঘুষ আদান-প্রদান, ভালো মুদ্বা তৈরি, ধর্মীয় ফাউন্ডেশনসমূহের যথেচ্ছ নিয়ন্ত্রণ, নিচু স্তরে ও কর্মচারীরা একই কাজে প্রবৃত্ত হয়। জানিসারিসরাও যেমন বাণিজ্যিক কাজে জড়িয়ে পড়ে। এদের প্রতিটি গোষ্ঠী যে কোনো পরিবর্তনে অনেক কিছু হারানোর ভয়ে ভীত হয়ে ওঠে। তাই প্রাটীন স্থিতাবস্থা বজায় রাখার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে প্রভাব এবং সম্পদ ও এতে বেঁচে যাবার প্রেরণা থাকে।

এমন একটি দেশ যেখানে শিল্প এখনো নবজাতক শিশু এবং বাণিজ্য বেশির ভাগই বিদেশিদের হাতে, সেখানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক এমন কোন বাধা ছিল না, যা ফরাসি বিপ্লবের ন্যায় কোনো বিপ্লবে ইন্ধন জোগাতে পারে। তাই সংক্ষারবাদীদের ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর পেছনে কোনো চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী ছিল না।

তাই ধন্যবাদ ফরাসিমুখী নীতিসমূহকে; এই ছিল সুলতান তৃতীয় সেলিমের ভাগ্য । যদিও তীর সংস্কারকর্মসমূহ ব্যর্থ হয়েছে; কিন্তু তিনি নতুন
এবং পশ্চিমের আলোকিত ধারণার দিকে চালিত একটি আন্দোলনের সূচনা করে গেছেন। তার সময়ের পরে ইসলামের দুর্গে আঘাত হানাটাই ভাগ্যলিপি হয়ে যায়। উনবিংশ শতাব্দীজুড়ে ধীরে ধীরে এর দিগন্ত উন্মোচিত হয়। ছোট্ট একটি প্রবাহ দ্রুতগতির বন্যায় রূপ নেয়। ঘটনাক্রমে এই অপরিচিত মাটিতে ফরাসি বিপ্রবের মূল চেতনা, স্বাধীনতা ইসলামের ভেতরের বৈধ ধারণা ধীরে ধীরে রাজনৈতিক রূপ লাভ করে; সমতা প্রথম দিকে ইসলামের মাঝে নিমজ্জিত সমাজসেবায় এতিহ্যবাহী হিসেবে এর কিছুটা কম গুরুত্ব ছিল ও শিকড় গড়ে তোলে।

See also  অনুবাদ মিডিয়া কুরুলুস উসমান সব ভলিউম একসাথে দেখুন

ওসমান রাজবংশের একমাত্র জীবিত উত্তরাধিকারী হিসেবে দ্বিতীয় মাহমুদ সংক্কারবাদী সুলতান হিসেবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। নিজের শতকের অরাজকতা সত্ত্বেও মাহমুদ সুলতান বিজয়ী বীর দ্বিতীয় মাহমুদ ও আইনপ্রণেতা সুলতান সুলেমানের মতোই যোগ্য ছিলেন ও সমান কাতারের সম্মান অর্জন করেছিলেন। অটোমান সাম্াজোর পিটার দ্য গ্রেট ছিলেন সুলতান মাহমুদ । মাহমুদের মাতা ফরাসি হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও তিনি নিজে কোনো বিদেশি ভাষা জানতেন না। এছাড়া প্রাচীন এতিহ্যবাহী ইসলামিক শিক্ষার জন্য পশ্চিমা ধ্যান-ধারণার সাথে কোনো প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ না থাকলেও সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ উজ্জীবিত হয়েছেন সুলতান তৃতীয় সেলিম দ্বারা । তাই ধৈর্যের সাথে টিকে থেকে প্রায় দুই দশক কেটে যাওয়ার পর মাহমুদ সমর্থ হন সাম্রাজ্যের সংস্কারকাজের জন্য সালতানাতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার।

এই মধ্যবর্তী সময়টুকুতে তার শক্তি নিঃশেষিত হয় রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে । নেপোলিয়ন অটোমান সাম্রাজ্যের ধ্বংস সম্পর্কে একরকম নিশ্চিত ছিলেন। তাই রাশিয়ার জার আলেকজান্ডারের সাথে মিত্রতা গড়ে তোলেন। ১৮০৭ সালে জারের ইংরেজ মিত্রর বিরুদ্ধে রাশিয়া ও ফ্রান্স ইউরোপে ডিভিশন গড়ে তোলে। গোপনে অটোমান সাম্রাজ্য খণ্ড বিখণ্ড করার পরিকল্পনায় মেতে ওঠে দুই পরাশক্তি ফ্রাস ও রাশিয়া। অটোমান সাম্রাজ্য মূলত এশিয়া ভূখণ্ডে কেন্দ্রীভূত ছিল। পূর্ব বলকান ইউরোপ রাশিয়া দাবি করে ও ফ্রান্স,আলবেনিয়া, গ্রিস, ক্রিট ও দ্বীপপুঞ্জের অন্যান্য দ্বীপসমূহ নেওয়ার পরিকল্পনা করে।

See also  বোজকির আরসলান জালালুদ্দিন ভলিউম ১ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদ মিডিয়া

যদি রাশিয়া ও তুরস্কের ছন্দ অবসানে তুর্কিরা ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় রাজি না হয়, তাহলে ফ্রান্স রাশিয়ার সাথে একই উদ্দেশ্যে শামিল হবে। “ইউরোপকে বিরক্তিকর তুর্কিদের” হাত থেকে রক্ষা করা। পোর্তে ফ্রালের প্ররোচনায় শান্তির শর্ত ব্যতীত রাশিয়ার সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করলেও দুই বছর পরে পুনরায় দ্বন্ব বেড়ে যায়।

এরই মাঝে চতুর্থ মুস্তাফার হত্যাকাণ্ড ও সন্তানহীন দ্বিতীয় মাহমুদ সিংহাসনে আসলে আশার আলো দেখতে পায় রাশিয়ার জার আলেকজান্ডার ।
তাই কনস্টান্টিনোপল ও দার্দেনালেস দাবি করার ঝুঁকি নিয়ে বসে জার। গোপন চুক্তিতে এ অঞ্চল এখনো কারো মাঝে ভাগাভাগি হয়নি। এ ধরনেরমনোবাসনা ঠেকাতে নেপোলিয়ন সেন্ট পিটারসবুর্গে কূটনীতিকের মাধ্যমে আলেকজান্ডারকে রাজি করানোর চেষ্টা করতে থাকে । ফরাসি কূটনীতিক প্রস্তাব করে যে শহর এবং প্রণালির তীরভূমি স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত হবে। কিন্তু রাশিয়া গ্রিক অর্থডক্স গির্জার কারণেও

প্রাকৃতিক এবং এঁতিহাসিকভাবে পূর্বের সাম্রাজ্য হিসেবে কনস্টান্টিনোপল দাবি করে। অন্যদিকে ফ্রান্স দার্দেনালেস ও এর উপকূল অঞ্চল দাবি করে বসে বিনিময়ে । কিন্ত কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে ফ্রা্পকে কোনো প্রবেশপথ দিতে দ্বিমত পোষণ করে রাশিয়া!

See also  অনুবাদ মিডিয়া কুরুলুস উসমান সব ভলিউম একসাথে দেখুন

ফলাফলস্বরূপ অটোমান সাম্রাজ্যকে বিভক্ত করে ফ্রাঙ্কো-রাশান যৌথ অংশীদারত্ে শাসন করার নেপোলিয়নের অলীক স্বপ্ন ভেস্তে যায়। পদ্ধতি
পরিবর্তন করে তাই ১৮০৮ সালে পোর্তের বিরুদ্ধে পুনরায় রাশিয়ার সাথে মৈত্রী জোটে আবদ্ধ হয় ফ্রান্স। এর মাধ্যমে ব্রিটেনের সাথে সম্পর্কেচ্ছেদ ও মলদোভিয়া ও ওয়ালাসিয়া থেকে রাশিয়ার বাহিনী অপসারণের দাবি করে নেপোলিয়ন। এতে ইংরেজদের প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায় থাকেন তিনি।

দানিয়ুবের ভূখণ্ডের ওপর রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণের শঙ্কায় সচেতন হয়ে অস্ত্্রীয় স্মাট এবার তুরস্ক-ইংল্যান্ডের মাঝে মধ্যস্থতা করতে ওঠে পড়ে লেগে যায়। ফ্রালসের বিরুদ্ধতা সত্বেও এই লক্ষ্য অর্জিত হয় ১৮০৯ সালে এর মাধ্যমে । এর মাধ্যমে আবারো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া ও তুর্কি বাহিনী । প্রধান উজির শৃমলা ক্যাম্প থেকে প্রতিরোধ করে রাশিয়া বাহিনীর। এরপর বলকান পার্বত্যাঞ্চলে পার হতেও ব্যর্থ হয় রাশিয়া । কিন্ত এরপর বসনিয়ার বাহিনীর প্রতিরোধ সত্তেও রাস্তক দখল করে নেয় জার বাহিনী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button